ঢাকার বাতাসে নতুন উদ্বেগ: Ozone Pollution কেন বাড়ছে?

Dhaka Ozone Pollution এবং PM2.5-এর কারণে বায়ুদূষণের স্বাস্থ্যঝুঁকি
ঢাকার Ozone Pollution ও PM2.5
বায়ুদূষণের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে নতুন উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক। 
প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ঢাকার বাতাসে নতুন উদ্বেগ: Ozone Pollution নিয়ে নতুন সতর্কতা

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে Ground-Level Ozone ঘিরে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের Copernicus Atmosphere Monitoring Service-এর ২০২৬ সালের বিশ্লেষণে Dhaka-কে এশিয়ার “Extremely Poor” Ozone Pollution exposure-এর মধ্যে থাকা শহরগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, উচ্চ তাপমাত্রা, সূর্যালোক, যানবাহন ও শিল্পের নির্গমন এবং বিভিন্ন ধরনের আগুন ও বর্জ্য পোড়ানো Ozone তৈরির পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

Ozone ও PM2.5 এক জিনিস নয়

PM2.5 হলো অতি ক্ষুদ্র বায়ুকণা, যা ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। অন্যদিকে Ground-Level Ozone হলো একটি গ্যাস, যা অন্যান্য দূষক পদার্থ সূর্যের আলো ও তাপের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করলে তৈরি হতে পারে। WHO-এর মতে, PM2.5 এবং Ozone দুটিই স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বায়ুদূষক।

শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

অতিরিক্ত Ground-Level Ozone শ্বাসনালিতে জ্বালা, শ্বাসকষ্ট, Asthma-এর সমস্যা বৃদ্ধি এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমার সঙ্গে সম্পর্কিত। PM2.5 আরও ক্ষুদ্র হওয়ায় তা ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে পৌঁছাতে পারে এবং হৃদ্‌যন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।

ঢাকার জন্য বার্তাটি কী?

ঢাকার বায়ুদূষণ মোকাবিলায় শুধু PM2.5 নিয়ন্ত্রণ যথেষ্ট নয়। Ground-Level Ozone তৈরির সঙ্গে যুক্ত Nitrogen Oxides এবং Volatile Organic Compounds-এর উৎসও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একই সঙ্গে যানবাহন, শিল্প, বর্জ্য পোড়ানো এবং অন্যান্য দূষণ উৎসের ওপর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত Air Quality Monitoring প্রয়োজন।

 

আরো পড়ুন-

মাইক্রোপ্লাস্টিক: কীভাবে শরীরে পৌঁছায় এবং বিজ্ঞান কী বলছে


সাইবার নিরাপত্তা: Facebook, WhatsApp ও YouTube অ্যাকাউন্ট কীভাবে নিরাপদ রাখবেন


Deepfake Technology কী? AI দিয়ে তৈরি নকল ছবি ও ভিডিও কীভাবে চিনবেন